ভেনিস ও টরন্টোর পর লন্ডনের মঞ্চে ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’: রুবাইয়াত হোসেনের সিনেমার অসাধারণ যাত্রা ও বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের নতুন দিগন্ত
বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কিছু কিছু মুহূর্ত আসে যা শুধু একটি সিনেমার সাফল্য নয়, বরং পুরো শিল্পের জন্য নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেয়। রুবাইয়াত হোসেনের নতুন সিনেমা ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ ঠিক তেমনই এক যুগান্তকারী কাজ। ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অরিজন্তি প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত হওয়ার পর কানাডার টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে জায়গা করে নেয় সিনেমাটি। এবার সেই সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হয়েছে আরও এক বড় সম্মান—৭০তম বিএফআই লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত হয়েছে ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’। আগামী ৭ থেকে ১৮ অক্টোবর ২০২৬ যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত হবে এই উৎসব। সেখানে মোট দশটি সিনেমার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে বাংলাদেশের এই সিনেমা এবং লড়বে বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডের জন্য।
লন্ডন চলচ্চিত্র উৎসবের এই নির্বাচন শুধু একটি সিনেমার স্বীকৃতি নয়। এটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের আন্তর্জাতিক মঞ্চে উপস্থিতির এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। ভ্যারাইটিসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো ইতিমধ্যে এই খবর প্রকাশ করেছে। প্রতিযোগিতায় থাকা অন্যান্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে জাপানের হিরোকাজু কোরে-এদার ‘লুক ব্যাক’, সের্গেই লোজনিতসার ‘ইম্পেরিয়াম’, ক্যারল মরলির ‘৭ মাইলস আউট’, লিলি হরভাটের ‘মাই নোটস অন মার্স’, বেঞ্জামিন নাইশতাটের ‘গ্ল্যাক্সো’, ক্রিস্টিন মলয় ও জো ললারের ‘অ্যাক্ট ৩’, জিওভান্নি তরতোরিচির ‘কেটিসে’, মালগোর্জাতা সুমোভস্কা ও মাইকেল এঙ্গলার্টের ‘দ্য ইডিয়টস’ এবং মে এল-তুখির ‘উইমেন আননোন’। এমন মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় বাংলাদেশি একটি সিনেমার উপস্থিতি নিঃসন্দেহে গর্বের বিষয়।
রুবাইয়াত হোসেন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নারী চলচ্চিত্র নির্মাতা। তাঁর পিতা ছিলেন সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য সৈয়দ আবুল হোসেন। চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহ নিয়ে তিনি নিউ ইয়র্ক ফিল্ম একাডেমিতে ডিপ্লোমা করেন। এরপর স্মিথ কলেজ থেকে নারী বিষয়ক স্টাডিজে স্নাতক, পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দক্ষিণ এশিয়া স্টাডিজে স্নাতকোত্তর এবং নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির টিশ স্কুল অব আর্টস থেকে সিনেমা স্টাডিজে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। সুফিবাদ, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, আধুনিকতার গঠন এবং নারীর যৌনতা ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে এর সম্পর্ক—এসব বিষয় তাঁর চিন্তা ও সৃষ্টিকর্মের কেন্দ্রবিন্দু।
তাঁর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘মেহেরজান’ (২০১১) মুক্তিযুদ্ধকে নারীর দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করেছিল এবং বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এরপর ‘আন্ডার কন্সট্রাকশন’ (২০১৫) নগর মধ্যবিত্ত নারীর জীবন ও পরিচয়ের সংকটকে তুলে ধরে। ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ (২০১৯) টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রিমিয়ার হয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়। এই সিনেমার জন্য রুবাইয়াত হোসেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পরিচালকের সম্মান পান—যা মাত্র দ্বিতীয় নারী পরিচালক হিসেবে তিনি অর্জন করেন। ক্রাইটেরিয়ন কালেকশনও এই সিনেমাকে ২০১০-এর দশকের লুকানো রত্ন হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাঁর প্রতিটি কাজে নারীর জীবন, সংগ্রাম ও অভ্যন্তরীণ জগতের প্রতি গভীর মনোযোগ লক্ষ্য করা যায়। ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’-এ সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তিনি এবার উচ্চবিত্ত সমাজের নারীদের জীবন ও সৌন্দর্যের চাপকে মনস্তাত্ত্বিক হররের আঙ্গিকে তুলে ধরেছেন।
সিনেমার গল্পের উৎস রুবাইয়াত হোসেনের শৈশবের স্মৃতি। ছোটবেলায় মায়ের সঙ্গে তিনি ঢাকার ঐতিহ্যবাহী মেফেয়ার বিউটি পার্লারে যেতেন। সেখানে তিনি শুনেছিলেন এক কনের রহস্যজনক মৃত্যুর কাহিনি। সেই শহুরে কিংবদন্তি তাঁর মনে গভীরভাবে গেঁথে যায়। ২০০৬ সালে তিনি এটি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা হিসেবে বানানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু পরে পূর্ণদৈর্ঘ্য করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রায় ২১ বছর ধরে তিনি এই গল্প নিয়ে বারবার লিখেছেন, পরিমার্জন করেছেন। তিনি নিজেই বলেছেন, এটি তাঁর জীবনের অর্ধেক সময়জুড়ে থাকা এক গল্প। অবশেষে উপযুক্ত অভিনয়শিল্পী, কলাকুশলী ও আন্তর্জাতিক সহপ্রযোজকদের সমন্বয়ে সিনেমাটি বাস্তবে রূপ নেয়।
‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ এক মনস্তাত্ত্বিক হরর সিনেমা। গল্পে দেখা যায়, এক তরুণী বিয়ের প্রস্তুতির জন্য মেফেয়ার বিউটি পার্লারে আসে। সে তার স্বামী হওয়া ব্যক্তিকে ভালোবাসে এবং রূপকথার মতো বিয়ের স্বপ্ন দেখে। কিন্তু তার শরীর বিয়ের নানা রীতিনীতি ও সৌন্দর্যবর্ধক প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। চাপ, উদ্বেগ ও শারীরিক-মানসিক অস্বস্তি বাড়তে থাকে। এরপর একের পর এক অদ্ভুত ও অতিপ্রাকৃত ঘটনার মুখোমুখি হতে হয় তাকে। রহস্য, মনস্তত্ত্ব ও অতিপ্রাকৃত উপাদানের সমন্বয়ে ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় গল্পের গভীরতর দিক। সৌন্দর্যের মানদণ্ড, ফর্সা ত্বক, পাতলা শরীর এবং ‘পারফেক্ট ব্রাইড’ হওয়ার সামাজিক চাপ এখানে প্রায় জীবন্ত প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে। আরেক কনের ভূত যেন সেই অপ্রাপ্য আদর্শ ও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসা চাপের প্রতীক। সিনেমাটি নারীবাদী বডি হরর হিসেবে কাজ করে, যেখানে অতিপ্রাকৃত উপাদান বাস্তবতার সীমা ছাড়িয়ে আবেগ ও শারীরিক সত্যকে প্রকাশের ভাষা হয়ে ওঠে।
চিত্রগ্রহণ হয়েছে ঢাকায়। পোস্ট-প্রোডাকশন সম্পন্ন হয়েছে প্যারিস ও লিসবনে। সিনেমাটি বাংলাদেশ, ফ্রান্স, জার্মানি, পর্তুগাল ও নরওয়ের যৌথ প্রযোজনা। প্রযোজকদের মধ্যে রয়েছেন ফ্রাঁসোয়া ডি’আর্টেমারে, পেদ্রো বোর্গস, আন্না ক্যাচকো, ইনগার্ড লিল হটন, রুবাইয়াত হোসেন এবং আদনান ইমতিয়াজ আহমেদ। ফondazione প্রদা ফিল্ম ফান্ডসহ বিভিন্ন ইউরোপীয় তহবিলের সহায়তা পায় প্রকল্পটি। চিত্রগ্রাহক হিসেবে কাজ করেছেন পর্তুগিজ নির্মাতা লিওনর টেলস। সিনেমার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে নারীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। রুবাইয়াত হোসেন বলেছেন, এই নারী-কেন্দ্রিক সহযোগিতা সিনেমার আত্মাকে সমৃদ্ধ করেছে।
কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাইনীন করিম চৌধুরী। এটি তাঁর অভিনয় জীবনের অভিষেক। এর আগে তিনি সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন এবং স্মিথ কলেজের স্নাতক। অনেক অভিনেত্রীর অডিশনের পর রুবাইয়াত হোসেন তাঁকেই উপযুক্ত মনে করেন। মজার বিষয় হলো, চরিত্রের নামও জাইনীন। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী আজমেরী হক বাঁধন, রিকিতা নন্দিনী শিমু এবং সুনেরাহ বিনতে কামাল। এছাড়া শতাব্দী ওয়াদুদ, সাবেরী আলম, মোহাম্মদ বারী এবং অতিথি চরিত্রে দামির খান অভিনয় করেছেন। এই অভিনয়শিল্পীদের সম্মিলিত উপস্থিতি নারীদের পারস্পরিক সম্পর্ক, প্রজন্মগত চাপ এবং বিয়ের প্রস্তুতির অন্তরঙ্গ দিকগুলোকে জীবন্ত করে তুলেছে।
সিনেমার উৎসব যাত্রা সত্যিই ঐতিহাসিক। ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অরিজন্তি প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত হয়ে এটি প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলাদেশি সিনেমা হিসেবে সেখানে প্রতিযোগিতা করে। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ বিশ্ব প্রিমিয়ার হয়। এরপর টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও জায়গা করে নেয়। এখন লন্ডনের মূল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ তাকে তিনটি বড় শরৎকালীন উৎসবের স্বীকৃতি এনে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিক্রয়ের দায়িত্বে রয়েছে ফিল্মস বুটিক।
‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ শুধু একজন নির্মাতার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়। এটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের জন্য এক বড় অর্জন। দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সীমিত উপস্থিতি, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং সহপ্রযোজনার অভাব বাংলাদেশি সিনেমার পথ রুদ্ধ করে রেখেছিল। রুবাইয়াত হোসেন ২১ বছর ধরে ধৈর্য ধরে গল্পটি বহন করেছেন, পাঁচটি দেশের সহপ্রযোজক জোগাড় করেছেন এবং নারী-কেন্দ্রিক সৃজনশীল পরিবেশ গড়ে তুলেছেন। তাঁর এই প্রয়াস দেখিয়ে দেয় যে স্থানীয় সংস্কৃতি ও অভিজ্ঞতা থেকে উঠে আসা গল্প যদি শৈল্পিক গভীরতা ও আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে উপস্থাপিত হয়, তবে তা বিশ্বদর্শকদের কাছেও পৌঁছাতে পারে।
সিনেমাটি দেখায় কীভাবে নারীর শরীর, ইচ্ছা এবং চলাফেরা সমাজে ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের মুখোমুখি হয়। সৌন্দর্য পার্লার এখানে শুধু সাজগোজের জায়গা নয়—এটি এক রূপান্তরের, নজরদারির, আকাঙ্ক্ষা ও আত্মপরিচয় হারানোর সম্ভাবনার স্থান। হররের উপাদান ব্যবহার করে নির্মাতা অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে বাইরের জগতে দৃশ্যমান করেছেন। এভাবে তিনি নারীবাদী সিনেমার ভাষাকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন—শুধু স্লোগান নয়, বরং অভিজ্ঞতা, আবহ এবং আবেগের গভীরতা দিয়ে।
রুবাইয়াত হোসেন বলেছেন, ‘আন্ডার কন্সট্রাকশন’ ছিল মধ্যবিত্ত নারীর গল্প, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ছিল শ্রমজীবী নারীর সংগ্রামের গল্প। আর ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ উচ্চবিত্ত সমাজের নারীদের জীবন ও তাদের ওপর চাপানো সৌন্দর্য ও বিয়ের আদর্শকে খুঁজে দেখে। এই বৈচিত্র্য তাঁর কাজকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। সিনেমাটি শুটিং হয়েছে মাত্র ২৬ দিনে, কিন্তু তার পেছনে রয়েছে দুই দশকের চিন্তা, লেখা ও অপেক্ষা।
লন্ডন চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটি যখন প্রদর্শিত হবে, তখন তা শুধু একটি প্রতিযোগিতামূলক স্ক্রিনিং নয়। এটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের সম্ভাবনাকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার এক সুযোগ। বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড জিতুক বা না জিতুক, মূল প্রতিযোগিতায় জায়গা করে নেওয়াই ইতিমধ্যে এক বড় অর্জন। এটি প্রমাণ করে যে ধৈর্য, নীতিগত অবস্থান এবং শৈল্পিক সততার সঙ্গে তৈরি সিনেমা একদিন বিশ্বমঞ্চে পৌঁছাতে পারে।
মেফেয়ার বিউটি পার্লারের সেই পুরোনো আয়নাগুলো এখন আর শুধু মুখের প্রতিবিম্ব ধরে রাখে না। সেগুলো ধরে রাখে প্রত্যাশার ইতিহাস, আগের কনের ছায়া, শরীরের একগুঁয়ে প্রতিরোধ এবং নিজেকে ও সমাজকে নতুন করে দেখার সম্ভাবনা। ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ দর্শকদের সেই আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়। শৈশবের শোনা এক রহস্যময় গল্প থেকে ভেনিস, টরন্টো এবং লন্ডনের মঞ্চ পর্যন্ত এই যাত্রা দেখিয়ে দেয় সিনেমার শক্তি কতটা গভীর হতে পারে—যখন তা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে সমষ্টিগত সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতায় রূপান্তরিত করে।
বাংলাদেশি চলচ্চিত্র এবং বিশ্বের নারীবাদী ও ঘরানার সিনেমার অনুরাগীদের জন্য এই সিনেমা এক গুরুত্বপূর্ণ আগমন। এটি শুধু শেষ নয়, বরং নতুন সম্ভাবনার শুরুও বটে। যারা স্থানীয় গল্পকে বিশ্বমানের শিল্পকর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে চান, তাদের জন্য রুবাইয়াত হোসেনের এই যাত্রা অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
৫টি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (FAQ)
১. ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমাটি কী নিয়ে?
এটি একটি নারীবাদী মনস্তাত্ত্বিক হরর সিনেমা। ঢাকার মেফেয়ার বিউটি পার্লারে বিয়ের প্রস্তুতি নিতে আসা এক তরুণীর অদ্ভুত ও অতিপ্রাকৃত অভিজ্ঞতার গল্প এতে বলা হয়েছে।
২. সিনেমার পরিচালক কে?
রুবাইয়াত হোসেন। তিনি ‘মেহেরজান’, ‘আন্ডার কন্সট্রাকশন’ ও ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ সিনেমার জন্য পরিচিত।
৩. সিনেমাটি কোন কোন উৎসবে নির্বাচিত হয়েছে?
ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অরিজন্তি প্রতিযোগিতা, টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব এবং ৭০তম বিএফআই লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের মূল প্রতিযোগিতায়।
৪. কেন্দ্রীয় চরিত্রে কে অভিনয় করেছেন?
জাইনীন করিম চৌধুরী। এটি তাঁর অভিনয় জীবনের প্রথম সিনেমা।
৫. লন্ডন চলচ্চিত্র উৎসব কখন অনুষ্ঠিত হবে?
২০২৬ সালের ৭ থেকে ১৮ অক্টোবর। সেখানে সিনেমাটি বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডের জন্য প্রতিযোগিতা করবে।

কোন মন্তব্য নেই