শাহবাগ আন্দোলনকারীদের উপর , লাঠি পেটা জল কামানো সাউন্ড গ্রেনেড
তৃতীয় ধাপে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক পদে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৫৩১ জনের নিয়োগ দাবিতে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়েছিল।
সোমবার বেলা দুইটার দিকে পুলিশে আন্দোলনকারীর উপর একশন নেয়! তারপরেও তারা পিছু হটে না! এ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়! বেলা একটার দিকে খুব দ্রুত নিয়োগের দাবিতে আন্দোলনকারীরা শাহবাগের মোড়ে একত্রিত হয় এই অবরোধের কারণে শাহবাগের মোড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়!
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান “সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুপারিশ প্রাপ্ত সহকারি শিক্ষক বৃন্দ (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ)এর ব্যানারে সকাল থেকে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে আন্দোলনকারীরা অবস্থান করছিল।"
পুলিশের একদল বেলা দুইটার দিকে আন্দোলনকারীদের সাবেক মোড় থেকে উঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে তাদের উঠিয়ে দিতে প্রথমে লাঠিপেটা করে এবং তাতে কাজ না হলে।পরে পুলিশ জল কামানো সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।
আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়” ২০২৩ সালের ১৪ জুন তৃতীয় ধাপের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ২০২৪ সালের ২৯ শে মার্চ লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয় একই বছরের একুশে এপ্রিল। ১২ জুন ভাইভা সম্পন্ন হয়।৩১ শে অক্টোবর আইন মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে ফলাফল প্রকাশিত হয়।এতে ৬৫৩১ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশ প্রাপ্ত হন, সুপারিশ প্রাপ্ত হন নিয়ে এরকম ৩১ জন হাইকোর্টের হিট করেন।এ কারণে ৬৫৩১ জনের নিয়োগ কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত হয়, তৃতীয় বিভাগে ঢাকা ও চট্টগ্রামে চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ ৬৫৩১ জনের নিয়োগ কার্যক্রম ৬ ফেব্রুয়ারি বাতিল করে দেন হাইকোর্ট। সম্পত্তিতে আরো বলা হয় সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ার পরও কাজে যোগদান করতে না পারার কারণে সামাজিকভাবে তাদের অপদস্ত হতে হয়েছে।তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং মানবতার জীবন যাপন করছে।তাদের প্রশ্ন আর কত ধৈর্য ধারণ করতে হবে? আর মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে? এখন তাদের থাকার কথা নিজেদের কর্মস্থলে, অথচ থাকতে হচ্ছে রাস্তায় আন্দোলনে। তাদের প্রশ্ন এই দায়ভার কে নিবে? তারা কার কাছে যথাযথ বিচার পাবে? এখন তাদের প্রাণের দাবি, তারা খুব দ্রুত কাজে যোগদান করতে চায়।
শাহবাগ আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিপেটা, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেডের ব্যবহারে, বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক সংকট প্রতিফলিত হচ্ছে। এই ঘটনাগুলি মানুষের অধিকার, ন্যায় ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের মৌলিকনীতি গুলোকে সামনে নিয়ে আসে। শাহবাগ আন্দোলন মানুষের অধিকার ও বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য,একটি অধ্যায় লিখছে, যা ভবিষ্যতে আরও আলোচনার জায়গা তৈরি করছে।
শাহবাগ আন্দোলনকারী
তৃতীয় ধাপে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক পদে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৫৩১ জনের নিয়োগ দাবিতে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়েছিল।
সোমবার বেলা দুইটার দিকে পুলিশে আন্দোলনকারীর উপর একশন নেয়! তারপরেও তারা পিছু হটে না! এ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়! বেলা একটার দিকে খুব দ্রুত নিয়োগের দাবিতে আন্দোলনকারীরা শাহবাগের মোড়ে একত্রিত হয় এই অবরোধের কারণে শাহবাগের মোড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়!
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান “সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুপারিশ প্রাপ্ত সহকারি শিক্ষক বৃন্দ (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ)এর ব্যানারে সকাল থেকে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে আন্দোলনকারীরা অবস্থান করছিল।"
পুলিশের একদল বেলা দুইটার দিকে আন্দোলনকারীদের সাবেক মোড় থেকে উঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে তাদের উঠিয়ে দিতে প্রথমে লাঠিপেটা করে এবং তাতে কাজ না হলে।পরে পুলিশ জল কামানো সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।
আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়” ২০২৩ সালের ১৪ জুন তৃতীয় ধাপের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ২০২৪ সালের ২৯ শে মার্চ লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয় একই বছরের একুশে এপ্রিল। ১২ জুন ভাইভা সম্পন্ন হয়।৩১ শে অক্টোবর আইন মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে ফলাফল প্রকাশিত হয়।এতে ৬৫৩১ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশ প্রাপ্ত হন, সুপারিশ প্রাপ্ত হন নিয়ে এরকম ৩১ জন হাইকোর্টের হিট করেন।এ কারণে ৬৫৩১ জনের নিয়োগ কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত হয়, তৃতীয় বিভাগে ঢাকা ও চট্টগ্রামে চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ ৬৫৩১ জনের নিয়োগ কার্যক্রম ৬ ফেব্রুয়ারি বাতিল করে দেন হাইকোর্ট। সম্পত্তিতে আরো বলা হয় সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ার পরও কাজে যোগদান করতে না পারার কারণে সামাজিকভাবে তাদের অপদস্ত হতে হয়েছে।তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং মানবতার জীবন যাপন করছে।তাদের প্রশ্ন আর কত ধৈর্য ধারণ করতে হবে? আর মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে? এখন তাদের থাকার কথা নিজেদের কর্মস্থলে, অথচ থাকতে হচ্ছে রাস্তায় আন্দোলনে। তাদের প্রশ্ন এই দায়ভার কে নিবে? তারা কার কাছে যথাযথ বিচার পাবে? এখন তাদের প্রাণের দাবি, তারা খুব দ্রুত কাজে যোগদান করতে চায়।
শাহবাগ আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিপেটা, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেডের ব্যবহারে, বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক সংকট প্রতিফলিত হচ্ছে। এই ঘটনাগুলি মানুষের অধিকার, ন্যায় ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের মৌলিকনীতি গুলোকে সামনে নিয়ে আসে। শাহবাগ আন্দোলন মানুষের অধিকার ও বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য,একটি অধ্যায় লিখছে, যা ভবিষ্যতে আরও আলোচনার জায়গা তৈরি করছে।
Tags
বাংলাদেশ