জাতীয় নাগরিক কমিটি গঠিত হয়েছে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে রাষ্ট্রের সংস্কার ও পুনর্গঠনের লক্ষ্যে

 জাতীয় নাগরিক কমিটি গঠিত হয়েছে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে রাষ্ট্রের সংস্কার ও পুনর্গঠনের লক্ষ্যে, যা ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে

জাতীয় নাগরিক কমিটি

আজ রোববার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক সমাবেশে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীকে আহ্বায়ক এবং আখতার হোসেনকে সদস্য সচিব করে এই কমিটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ৫৫ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় নাগরিক কমিটির ঘোষণা দেন নাসির। 

কমিটির মুখপাত্র হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন সামান্তা শারমিন, এবং বাকি ৫২ জন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আজ রোববার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক সমাবেশে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীকে আহ্বায়ক ও আখতার হোসেনকে সদস্য সচিব করে নতুন জাতীয় নাগরিক কমিটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। বিকেল সাড়ে ৫টায় ৫৫ সদস্যের এই কমিটি ঘোষণা করেন নাসির।  
কমিটির মুখপাত্র পদে নিযুক্ত হয়েছেন সামান্তা শারমিন এবং অন্যান্য ৫২ জনকে সদস্য করা হয়েছে।

কমিটির প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলো হলো:
১। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা রক্ষা করা।  
২। ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিচার নিশ্চিত করার কার্যক্রম গ্রহণ করা।  
৩। রাষ্ট্রের জরুরি সংস্কার ও পুনর্গঠনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাথে সহযোগিতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করা।  
৪। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে জনতাকে একত্রিত করা।  
৫। সমাজের সকল স্তরের নেতৃবৃন্দকে একত্রিত করে ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।  
৬। জনস্বার্থে নীতি নির্ধারণ সম্পর্কিত বিষয়ভিত্তিক সংলাপের আয়োজন করা।  
৭। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নীতির প্রস্তাবনা তৈরি ও বাস্তবায়নে রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

জাতীয় নাগরিক কমিটি একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব এবং দেশের জনগণের অংশগ্রহণে ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছে। এই আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য হলো ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ এবং একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সংগ্রাম করা। 

গত ৮ আগস্ট গঠিত সরকারের সাথে সমন্বয় ও জনস্বার্থের নীতিতে অবদান রাখার অঙ্গীকারের মাধ্যমে বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই নতুন রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী কাজ করবে। গণহত্যাকারীদের বিচার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের পুনর্গঠন এবং জনস্বার্থের নীতির সংবেদনশীলতা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অপরিহার্য শর্ত।  
জাতীয় নাগরিক কমিটি শিগগিরই দেশের সকল মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন