ইসরায়েলি আক্রমণের কারণে আমরা কোনোভাবেই পেছনে যাব না: শহিদুল আলম

  

ইসরায়েলি আক্রমণের কারণে আমরা কোনোভাবেই পেছনে যাব না: শহিদুল আলম
শহিদুল আলম( Image Collected)

ইসরায়েলি আক্রমণের কারণে আমরা কোনোভাবেই পেছনে যাব না: শহিদুল আলম

ইসরায়েলি আগ্রাসন ও অব্যাহত হামলার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন বিশিষ্ট আলোকচিত্রী ও সামাজিক কর্মী শহিদুল আলম। সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, “ইসরায়েলি আক্রমণের কারণে আমরা কোনোভাবেই পেছনে যাব না। বরং এই আক্রমণ আমাদের লড়াইয়ের শক্তিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।”

শহিদুল আলমের মতে, ইসরায়েলের হামলা কেবল ফিলিস্তিনি জনগণের ওপরই নয়, বরং মানবাধিকারের প্রতি এক সুস্পষ্ট অবমাননা। তিনি মনে করেন, এই পরিস্থিতি সমগ্র বিশ্বের জন্য একটি পরীক্ষা, যেখানে ন্যায়বিচার ও মানবতার পক্ষে দাঁড়ানো ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

মানবতার পক্ষে অবস্থান

শহিদুল আলম দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করে আসছেন। তিনি বলেন, “আজ ফিলিস্তিন যে অবরুদ্ধ অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, তা শুধু একটি জাতির সংকট নয়; বরং সমগ্র মানবজাতির জন্য এক সতর্কবার্তা। আমরা যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে ব্যর্থ হই, তবে কাল একই পরিণতি আমাদের ওপরও নেমে আসবে।”

আক্রমণের ভেতরে প্রতিরোধের শক্তি

ইসরায়েলের আক্রমণকে তিনি ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিরোধ শক্তিকে দুর্বল করার চেষ্টা হিসেবে দেখেন। তবে শহিদুল আলম মনে করেন, ইতিহাস সাক্ষী যে, দমননীতি কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, “আক্রমণকারীরা মনে করে ভয় দেখিয়ে মানুষকে চুপ করানো যায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রতিটি আক্রমণ মানুষের ভেতর নতুন শক্তি ও সাহস জাগিয়ে তোলে।”

বৈশ্বিক সমাজের দায়িত্ব

শহিদুল আলম আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আহ্বান জানান, তারা যেন ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। শুধু নিন্দা নয়, বাস্তব পদক্ষেপ প্রয়োজন। অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, কূটনৈতিক চাপ এবং গণমাধ্যমে সত্য তুলে ধরা—এসবই হতে পারে প্রতিরোধের হাতিয়ার।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশ সবসময়ই ফিলিস্তিনের পাশে থেকেছে, এবং শহিদুল আলম বিশ্বাস করেন দেশের সাধারণ মানুষ আজও সেই অবস্থান ধরে রেখেছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ বারবার প্রমাণ করেছে যে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে তারা আপসহীন। ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধেও আমাদের অবস্থান হবে দৃঢ় ও স্পষ্ট।”


শহিদুল আলমের বক্তব্য স্পষ্ট করে দেয় যে, ভয় বা দমনে তিনি নতি স্বীকার করবেন না। বরং ইসরায়েলি আক্রমণ তাঁর ও তাঁর মতাদর্শের মানুষদের জন্য নতুন প্রেরণার উৎস। তিনি বিশ্বাস করেন, সত্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে আন্দোলন কখনো ব্যর্থ হতে পারে না।

👉 তাঁর এই অবস্থান শুধু একটি রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং মানবতার পক্ষে এক দৃঢ় শপথ।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন