ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি পৃথকভাবে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি পৃথকভাবে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা

Dr. Mohammad Younus

একুশের প্রথম প্রহরে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি পৃথকভাবে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। রাত ১২টার পর প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর রাত ১২টা ১২ মিনিটের দিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি ভাষাশহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এর আগে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান। রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পরে প্রধান বিচারপতি, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

একুশের প্রথম প্রহরে, ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক অনন্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ভাষাশহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। রাত ১২টার পর থেকেই ভাষাশহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এই আয়োজন শুরু হয়। শহীদ মিনারের প্রাঙ্গণ ভর্তি হয়ে যায় বিভিন্ন সংগঠন, রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের পদচারণায়।

প্রথমে রাত ১২টার পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর ১২টা ১২ মিনিটের দিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ভাষাশহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এই আয়োজনে ঢাকার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও যোগ দেন। তাদের মধ্যে ছিলেন প্রধান বিচারপতি, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন, সিনেট ও সিন্ডিকেটের সদস্যরাও ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান উপস্থিত থেকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান।

এই আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিরা, বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণ। শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ রাত ১২টা থেকে জনসাধারণের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।

একুশে ফেব্রুয়ারির এ আয়োজন জাতির জন্য এক অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত, যা ভাষাশহীদদের স্মৃতিকে ধরে রাখে এবং নতুন প্রজন্মকে মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতে প্রেরণা যোগায়। এই বিশেষ দিনটি সারা দেশের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং তা শুধুমাত্র একটি তারিখ নয়, বরং এটি একটি আন্দোলনের প্রতীক যা আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি এবং পরিচয়ের মূল ভিত্তি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন